পথঘাট প্লাবিত, রেললাইন ধরে গ্রামে ফিরছিলেন, দিঘা–পাঁশকুড়া লাইনে তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু






নাগাড়ে বৃষ্টির কারণে শিলাবতী নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় পাঁশকুড়ার ফল বিক্রেতাদের জন্য বাড়ি ফেরাটা বিপজ্জনক হয়ে উঠেছিল। হলদিয়ায় ফল বিক্রি করে রঘুনাথবাড়ি স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে তাঁরা বাড়ি ফেরার পরিকল্পনা করেছিলেন, কিন্তু এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় তাঁদের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়।কালীপুজোর আগের রাতেই পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় ঘটে গেল হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা, যা আনন্দের পরিবর্তে শোকের ছায়া নিয়ে এলো। তিনজন ফল বিক্রেতা, যারা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে পরিবারের জন্য কিছু আনার স্বপ্ন দেখেছিলেন, দুর্ভাগ্যবশত এই দুর্ঘটনার শিকার হন। শিলাবতী নদীর বন্যায় প্লাবিত রাস্তা পেরোনো অসম্ভব হওয়ায় তাঁরা রেললাইন ধরে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু বাড়ি পৌঁছানোর আগেই একটি ট্রেনের ধাক্কায় তাঁদের একসঙ্গে প্রাণ হারাতে হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি কালীপুজোর উৎসবের আনন্দকে বিষাদে পরিণত করেছে, এবং স্থানীয় মানুষজনের মধ্যে গভীর শোকের ছাপ ফেলেছে | 

পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় কালীপুজোর আগের রাতেই ঘটে গেল হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা, যা তিনটি পরিবারে শোকের ছায়া এনে দিল। রঘুনাথবাড়ির তিনজন ফল বিক্রেতা কালীপুজোর আনন্দে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর আশায় হলদিয়া থেকে ফল বিক্রি করে উপার্জিত অর্থ নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ ক্লান্ত দেহে রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে তাঁরা বাড়ির পথে রওনা দেন। তবে রঘুনাথবাড়ি স্টেশনের কাছে এই যাত্রা শেষ হয়ে যায়, যখন একটি ট্রেনের ধাক্কায় তাঁদের মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার কালীপুজোর দিন, যেখানে আনন্দের পরিবেশ থাকার কথা ছিল, সেখানে তিনটি পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।পাঁশকুড়ার রঘুনাথবাড়ির তিনজন ফল বিক্রেতার কালীপুজোর আগের রাতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু তাঁদের পরিবারে গভীর শোক এনে দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই তিনজন হলদিয়ায় ফল বিক্রির কাজ সেরে রাতে বাড়ি ফিরছিলেন। তবে টানা বৃষ্টির কারণে শিলাবতী নদীর জল বেড়ে যাওয়ায় এবং ঘাটাল, দাসপুরসহ আশেপাশের এলাকা প্লাবিত হওয়ায় তাঁরা রেললাইন ধরে হাঁটতে বাধ্য হন। রঘুনাথবাড়ি স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে রেললাইন ধরে বাড়ির পথে হাঁটার সময় আচমকাই তাঁরা ট্রেনের ধাক্কায় পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। মৃতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে—জয়দেব সাঁতরা (৫৭) ও রিঙ্কু ভৌমিক (৪৯), তবে তৃতীয় ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি এবং তা খুঁজে দেখছে রেল পুলিশ।

No comments

Powered by Blogger.